ভিতর কনিকার জলে ও জঙ্গলে
মিনি আমাজন
@Barnali Roy
ভিতরকনিকা ম্যনগ্রোভ ফরেস্ট ছিল ওড়িশার কনিকা রাজাদের মৃগয়াভূমি। বর্তমানে এটি ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের মর্যাদা পেয়েছে। উড়িষ্যায় বঙ্গোপসাগরের উপকূলে ভয়ঙ্কর সুন্দর এক পর্যটন কেন্দ্র 'ভিতরকণিকা'৷ বৈতরণী, ব্রাহ্মণী ও ধামরা নদীর মোহনায় ম্যানগ্রোভ অরণ্যে ঘেরা ভিতরকণিকা ন্যাশনাল পার্ক ও ওয়াইল্ড লাইফ স্যানচুয়ারি৷
ভিতরকনিকা শব্দ টি ,দুটি ওড়িয়া শব্দ জুড়ে তৈরি হয়েছে।"ভিতর " মানে গহিন আর "কণিকা " মানে অতিব সুন্দর।
উড়িষ্যা রাজ্যে র কেন্দারপাড়া জেলায় তিন নদী ব্রাহ্মনী , বৈতরণী ও ধামরার সঙ্গম জুড়ে ভিতরকনিকার অবস্থান। প্রায় ৬৭২ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে এই ম্যানগ্রোভের বিস্তার। ১৯৫২ সালের আগে এই অঞ্চল টি জমিদার দের অধীনে ছিলো। আস্তে আস্তে ওড়িষা সরকার জমিদারি প্রথা তুলে দেয় এবং ম্যানগ্রোভ টি নিজেদের আওতায় নিয়ে আসে। অবশেষে ১৯৭৫ সালে ভিতরকণিকা ওয়াইল্ড লাইফ স্যাঞ্চুয়ারি ঘোষনা করেন। এটি ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ। অনেকে এটিকে মিনি আমাজন ও বলে থাকেন।
এই ম্যানগ্রোভের মধ্যে ১৪৫ বৰ্গ কিলোমিটার ভিতরকণিকা ন্যাশনাল পার্ক ঘোষণা হয় ১৯৯৮ সালে সেপ্টেম্বর মাসে। এখানে প্রায় ৬০ প্রজাতির ম্যানগ্রোভ পাওয়া যায়। আর এর হারবার টি ভারতের বৃহত্তম সল্ট ওয়াটার ক্রোকোডাইল ( লবনাক্ত জলের কুমির ) জন্য বিখ্যাত। বিখ্যাত এস্টুয়ারাইন কুমির। এই এস্টুয়ারাইন কুমির এর আকার ২০ থেকে ২৪ ফুট পর্যন্ত হতে পারে। এরা খাঁড়ি পথের ধারে রোদ পোহায়।সাদা রঙের কুমিরকে স্থানীয়রা 'গোরি' বলে সম্বোধন করে।এখানে প্রচুর সাদা রঙের কুমির দেখা যায়।ঠিক যেন টিভিতে ন্যাশানাল জিওগ্রাফি চ্যানেল দেখছি।নইলে তো চিড়িয়াখানাতে যে কুমিরগুলো দেখেছি সেগুলো শুধু পাথরের মতো শুয়েই থাকে।আর এখানে দেখা কুমির, তা সে ছোট হোক বা বড় সব দারুণ একটিভ। বোটের নূন্যতম আওয়াজেই সচেতন হয়ে যাচ্ছে।এই ম্যানগ্রোভটিতে সল্ট ওয়াটার ক্রোকোডাইল ছাড়াও কিং কোবরা , ইন্ডিয়ান পাইথন , ঘড়িয়াল , ব্ল্যাক স্পটেড হরিণ , বন্য শুয়োর ,ভিন্ন প্রজাতির মাছরাঙা ,হিরণ , সি ঈগল , শঙ্খচিল , মাড স্কিপার,হায়না,বানর এবং আরো অনেক প্রজাতির পশু, পরিযায়ী পাখি দেখা যায়। দেখার জন্য কষ্ট করে উঁকি-ঝুঁকি দিতে হবে না৷ শুধু নিঃশব্দে অপেক্ষা করতে হবে৷
চাঁদবালি থেকে যন্ত্রচালিত নৌকায় 'মিনি আমাজান' অর্থাৎ ভিতরকণিকার ভিতরে প্রবেশ করা যায়।জল পথে প্রায় দেড় ঘন্টার রাস্তাভিতরকণিকা ন্যাশনাল পার্কে প্রবেশ করার বেশ কয়েকটা গেট রয়েছে। যার মধ্যে প্রধান খোলা গেট। গুপ্তি গেট দিয়েও পার্কে ঢোকা যায়। সুন্দরবনের মতোই এখানেও ফেরি সার্ভিস চালু রয়েছে, যাতে করে পর্যটকেরা ঘোরেন।চলার পথে দু'পাশের 'চলমান দৃশ্য' দেখতে দেখতে চোখ জুড়িয়ে যাবে৷ তারপর নৌকা যখন 'খোলা ক্রিক' বা খাঁড়ির মধ্যে প্রবেশ করবে তখন ভয়ঙ্কর সুন্দরের মুখোমুখি হবেন৷ ভিতরকণিকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এক কথায় অনবদ্য৷
ভিতরকণিকা ম্যানগ্রোভ অঞ্চল টিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা আছে। ১-“The Bhitarkanika National Park”, ২- “The Bhitarkanika Wildlife Sanctuary” এবং ৩-“The Gahirmatha Marine Sanctuary”
এক পাশে সমুদ্র সৈকত অন্য পাশে নদী ও খাঁড়ির জলে ঘেরা ঘন জঙ্গল৷ সেখানে সূর্যের আলো পৌঁছায় না, অথচ জোয়ার-ভাঁটায় রূপ বদলে যায়৷ এর পাড়েই অবস্থিত ফরেস্ট অফিস থেকে ভ্রমণের অনুমতি নিতে হবে৷সংকীর্ণ জলপথে জঙ্গলের পাশে পাশে যখন চলবেন, তখন সহজেই নজরে পড়বে পাড়ে বিশ্রামরত কুমির, জলের ধারে হরিণের সচকিত চাহনি৷ কান আসবে বিভিন্ন পাখ-পাখালির ডাক৷ আর বসন্তকালে জঙ্গলের নাম না জানা ফুলের গন্ধে মন মেতে উঠবে৷ শান্ত সবুজে মোড়া দ্বীপের ছোট-বড় গাছের ফাঁক দিয়ে নানা দৃশ্য দেখতে দেখতে পৌঁছে গেলাম জঙ্গলের কেন্দ্র বিন্দু 'ডাঙ্গমল' এ।এখানে বনবিভাগের বাংলো আছে।সেগুলি বেশ সুন্দর। এখানে রাত কাটানোর অভিজ্ঞতাই আলাদা হবে৷ অন্ধকার গাঢ় হতেই শুরু হবে জীব-জন্তু কীট-পতঙ্গের ডাকা-ডাকি ও তাদের আনাগোনা৷ রাত জাগা পাখির সঙ্গে আপনাকেও কিছুটা সময় কাটাতে হবে বনবাংলোর ঘেরা বারান্দায়৷ হঠাৎ হঠাৎ এমন সব রোমাঞ্চকর মুহূর্তের সাক্ষী হবেন, যা স্মৃতিপটে দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকবে৷পরেরবার এসে এখানে থাকবো এমন ভাবলাম মনে মনে।পার্কের ভিতরে ক্রোকোডাইল ব্রিডিং সেন্টারও রয়েছে। নোনাজলে কুমিরের বংশবৃদ্ধি করার আদর্শ পরিবেশ সৃজিত হয়েছে পার্কের ভিতরে। ২০০৬ সালে ভিতরকণিকার ২৩ ফুটেরও বেশি লম্বা, ২০০০ কেজি ওজনের জায়ান্ট সল্টওয়াটার ক্রোকোডাইল গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম তুলে ফেলেছিল। কুমির ছাড়াও নানা ধরনের পাখি, বিভিন্ন প্রজাতির মাছরাঙা, পাইথন, কিং কোবরা, স্পটেড ডিয়ারের দেখা মেলে পার্কের ভিতরে।এখানে একটা মিউজিয়াম আছে।সেখানে ভিতরকনিকায় পাওয়া বিশালাকার যেসব কুমীর স্বাভাবিক মৃত্যুবরন করেছে তাদের কঙ্কাল সংরক্ষণ করা হয়েছে।এছাড়াও কুমিরের ডিম,পাইথন, তার ডিম,আর খাঁড়িতে,জঙ্গলে যেসব প্রাণী আর উদ্ভিদ পাওয়া যায় সেসব নমুনাও সংরক্ষণ করা হয়েছে।
এগুলি ছাড়াও ডাংমলে আমরা আশেপাশের জায়গাগুলো ঘুরে নেব বলে ঠিক করলাম। সেইমতন চললাম জঙ্গলের ভিতর প্রাচীন শিব মন্দিরের উদ্দেশ্যে। প্রায় ৩ কিমি পথ হেঁটে চললাম এবং সত্যি কথা বলতে কি একটুও একঘেঁয়ে লাগে নি।গভীর জঙ্গল,আলো আঁধারের খেলা,মাঝে মাঝে আকাশ কালো করে এক দু ফোঁটা বৃষ্টি। সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত রোমাঞ্চ।ম্যানগ্রোভ রাজত্বে একটু অন্যরকম স্বাদ পেলাম এখানে। মধ্যযুগীয় শিব মন্দিরের স্থাপত্য শৈলী দেখে মন জুড়িয়ে গেল।পাশেই আরেকটি প্রাচীণ ধ্বংসাবশেষ, ওটা নাকি কেল্লার ক্ষুদে সংস্করণ , সম্ভবত পশু শিকারের জন্য বানানো হয়েছিল।সামনেই পদ্মপুকুর।আর এখানে পর্যবেক্ষণের জন্য একটা ওয়াচ টাওয়ার আছে। সেখান থেকে কাঁদা মাটির প্যাঁচপ্যাঁচে পথ ডিঙিয়ে অন্য একটি ওয়াচ টাওয়ারে যাওয়া হল পাখি দেখতে। নানান প্রজাতির পরিযায়ী পাখিদের কিচিরমিচির, বেশ উঁচু থেকে দেখতে পেলাম ওদের।
ভিতরকণিকার কাছাকাছিই রয়েছে গাহিরমাথা বিচ।গাহিরমাতা বিচ যেটি এই ম্যানগ্রোভ কে বঙ্গোপসাগর থেকে আলাদা কোরে রেখেছে সেটি বিখ্যাত পৃথিবীর গুরুত্ত পূর্ন অলিভ রিডলি সমুদ্র কচ্ছপের প্রজনন এলাকা বোলে অর্থাৎ নেস্টিং বিচ হিসেবে। এই ধরনের কচ্ছপ মাইগ্রেট করতে শুরু করে নভেম্বর মাসে।জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারির শুরু নাগাদ হ্যাচিং সিজনে পর্যটকেরা ভিড় জমান বিচে। অনেকে ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজও করেন অলিভ রিডলের হ্যাচিং সিজনে। এছাড়া লাল কাঁকড়াও দেখতে পাবেন প্রচুর। অ্যানুয়াল ক্রোকোডাইল পপুলেশন ডেনসিটি গণনার কাজের জন্য জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকে দিন দশেক পর্যটকদের জন্য পার্ক বন্ধ রাখা হয় প্রতি বছর। তাই যাওয়ার আগে সে ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে নেওয়াই ভাল। গাহিরমাতা প্রায় ৭০৫ মিটার বিস্তৃত সমুদ্র বিচ। ১৯৭৯ সালে এটি Turtle Sanctuary বলে ঘোষণা করা হয়। গাহিরমাতা বিচের একাকুলা দ্বীপ অঞ্চলে এই কচ্ছপ গুলি সুদূর অস্ট্রিলিয়া , সার্দান আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড এর কিছু অংশ থেকে প্রশান্ত মহাসাগর দিয়ে হাজার হাজার মাইল সাঁতারে ডিম্ পাড়তে আসে। বহু যুগ থেকেই এরা এই অঞ্চল টিকে তাদের প্রজনন স্থান হিসেবে বেছে নিয়েছে। নভেম্বর মাসের শুরুতে এরা একাকুলা বিচ এ আস্তে শুরু করে এবং প্রজনন সম্পন্ন করার পর প্রতিটি মহিলা কচ্ছপ ১০০ থেকে ১৮০ টি ডিম পাড়ে। ডিম পাড়া সম্পন্ন হলে ফেব্রুয়ারি মাসে ওই কচ্ছপ রা আবার হাজার হাজার মাইল সাঁতারে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রশান্ত মহাসাগর ধরে তাদের বসবাসের জায়গায় ফিরে যায়। আর এদিকে ডিম্ ফুটে বাচ্চা বার হবার পর তারাও তাদের মা , বাবা রা যে ভাবে এসেছিলো সেই ভাবেই হাজার হাজার মাইল সাঁতারে তাদের বসবাসের জায়গায় ফিরে যায়। ঘটনা টি শুনতে গল্প মনে হলেও এটা সত্য। সামুদ্রিক কচ্ছপ রা এক স্থানে বসবাস করে আর প্রজনন ঘটায় তাদের পছন্দ মতো নির্জন স্থানে। এই কচ্ছপ রা ডিম পেড়ে বালি চাপা দিয়ে চলে যাবার পর শিয়াল , কুকুর ও কিছু বন্য প্রাণী রা এই ডিম বালি থেকে বার করে খেয়ে নিতো। আর বড়ো কচ্ছপ রা ও তাদের দেশে ফেরত যাবার সময় বোট , ট্রলার , মাছ ধরার জাল ইত্যাদি তে কাটা পরে প্রচুর সংখ্যায় মারা পড়ত। এই সকল কারণে এই অঞ্চল টি কে এখন কোস্টগার্ড এর অধিনে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই এখন অবাধে আর এই অঞ্চলে যাওয়া যায় না। এই সকল কারণে November 1 to May 31এই অঞ্চল টি তে মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকে।
এখান থেকে দেখে নেওয়া যায় কালিভঞ্জা দ্বীপ।সেটায় যেতে হলেও ওই নদী পথে বেশ খানিকটা রাস্তা।জল পথে মাইলের পর মাইল ছুটে যেতে মন্দ লাগে না।বোটের ডেকে বসে দুপাশের জঙ্গল, কোথাও চাষের জমি,কোথাও হরিণের দৌড় ঝাঁপ,হনুমানের দাপাদাপি, কুমিরের নানা কির্তিকলাপ দেখতে দেখতে মন ভরে যায়।কুমির ছাড়াও প্রচুর ঘড়িয়াল আর গোসাপের আনাগোনা নদীর দুপাশের চর জুড়ে।আর নদীর জলে মেঘের কারুকাজ অতিরিক্ত পাওনা।ম্যানগ্রোভের বৈচিত্র্যকে চোখের সামনে দেখতে হলে ভিতরকনিকার থেকে ভাল জায়গা আর নেই।দুপাশে ঘন জংগল আর নদীর বুকে ছুটে চলা,মাঝিই যেখানে একমাত্র ভরসা।
কাছাকাছির মধ্যে কণিকা রাজ বাড়ি, শিয়ারিয়া গ্রাম খোলা আকাশের নীচে কালো পাথরের 'খরা খাই' দেবী মূর্তি দেখে নেওয়া যায়৷ জেনে রাখা ভালো যে, আজও এখানে ঘরের দরজায় কপাট নেই৷ সত্যিই কণিকা রাজ্য বৈচিত্রময় এবং তার ভিতর ভয়ঙ্কর সৌন্দর্যে ভরা৷
কীভাবে যাবেনঃ- দক্ষিণ-পূর্ব রেলের ভদ্রক স্টেশনে নেমে সড়ক পথে ৫৫ কিলোমিটার দূরে বৈতরণী নদীর পাড়ে চাঁদবালি৷ এখান থেকেই জল পথে ভিতরকণিকায় প্রবেশ করতে হয়৷সেখান থেকে খোলা চেকপোস্ট প্রায় দেড় ঘন্টা।এছাড়াও চাঁদবালি থেকে সড়ক পথে ১৮কিমি রাস্তা গেলে জয়নগর জেটি।সেখান থেকে বোটে করে খোলা চেক পোস্ট মাত্র ১৫ মিনিটের পথ।
কোথায় থাকবেনঃ-চাঁদবালিতে ওটিডিসি-র পান্থনিবাস ও অন্যান্য হোটেল৷খোলা চেকপোস্টের কাছেও প্রাইভেট হোটেল,জয়নগর জেটির কাছেও প্রাইভেট হোটেল আছে।
জঙ্গলের মধ্যে এক মাত্র সরকারি বনবাংলো৷যেটি ওড়িশা টুরিসমের ইকোটুরিসমের সাইট থেকে বুক করা যায়।
তবে এখানে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের অনুমোদিত সংস্থার মাধ্যমে প্যাকেজে ঘুরে নেওয়া ভালো৷ নিশ্চিন্ত এবং নিরাপদ৷এই প্যাকেজে থাকা,খাওয়া,বোট ভাড়া,সাইটসিন সব ধরা থাকে।
মনে রাখবেন- ভিতরকনিকা ও ডাংমল সকাল ৭ টা থেকে বিকল ৩ টে পর্যন্ত খোলা। ২ থেকে ৮ জানুয়ারী কুমির সুমারির জন্য বন্ধ থাকে। ১লা মে থেকে ৩১শে জুলাই অভয়অরন্যে বন্ধ থাকে।
কখন যাবেন- ভিতরকনিকা যাবার ভালো সময় অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারী।
অভয়অরন্যের মধ্যে বোট ম্যানের কথা শুনে চলবেন, না হলে বিপদ হতে পারে। অভয়অরন্যে ঘোরার সময় চোখ কান খোলা রাখবেন। জলের ধারে কাছে যাবেন না। এই ভ্রমনে সঙ্গে একটি দূরবীন থাকলে ভালো পাখি দেখা যাবে।পরিচয়পত্র সাথে রাখবেন,পারমিট করাতে লাগে।আর জঙ্গলের মধ্যে ফুল হাতা অনুজ্জ্বল জামাকাপড় পড়াই ভাল।




Comments
Post a Comment